Durnitibarta.com
ঢাকাসোমবার , ১৮ নভেম্বর ২০২৪
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রমিকদের দেওয়া আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা

প্রতিবেদক
Dhaka Office
নভেম্বর ১৮, ২০২৪ ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বার্তা ডেস্ক: গাজীপুরে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের আন্দোলনরত শ্রমিক ছাড়াও পাশের পানিশাইল এলাকার ডরিন ফ্যাশনের শ্রমিকরা আন্দোলনে নেমেছেন। অনির্দিষ্টকালের জন্য ওই কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। উত্তেজিত শ্রমিকরা জিরানি বাজারের পাশের অ্যামাজন নিটওয়্যার কারখানায় অগ্নিসংযোগ করেন। সোমবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরের দিকে জিরানী এলাকার অ্যামাজন নিটওয়্যার কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত দুই দিনের মতো সোমবারও বেক্সিমকোর শ্রমিকরা সকাল থেকে চক্রবর্তী এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। ওই কারখানার কারণে আশপাশের অন্তত ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া গত ১ নভেম্বর থেকে পানিশাইল এলাকার ডরিন ফ্যাশন কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। গত রবিবার ডরিন ফ্যাশন খুলে দেওয়া হলেও দুপুরের পর ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়।

সোমবার সকালে কাজে যোগ দিতে এসে দেখেন, ফের তাদের কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই নোটিশ দেখে কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভে শুরু করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের জিরানী এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। একই সময়ে একই সড়কের পৃথক স্থানে বেক্সিমকো কারখানার শ্রমিকরাও অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডরিন ফ্যাশন ও বেক্সিমকো কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতরা স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ সময় শ্রমিকরা পানিশাইল ও কলতাসুতি এলাকায় ঢুকে পড়ে এলাকার লোকজনদেরও মারধর করে।

এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে শ্রমিকদের ধাওয়া করে। বেশ কিছু সময় ত্রিমুখী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। এ সময় ডরিন ফ্যাশন ও বেক্সিমকোর কিছু উশৃঙ্খল শ্রমিক পূর্ব কলতাসুতি এলাকার অ্যামাজন নিটওয়্যার কারখানায় অগ্নিসংযোগ করেন। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। তবে ঘটাস্থালে উত্তেজনা থাকায় প্রায় এক ঘণ্টা হয়ে গেলেও দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে যায়নি।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দল্লাহ আল আরেফিন বলেন, খবর পেয়ে কাশিমপুর দমকল বাহিনীর দুইটি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সহযোগিতায় আগুন নেভানো হবে।

কাশিমপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফ বলেন, কারখানার আগুন জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিস এক ঘণ্টা হয়ে গেলেও সেখানে আসেনি।