
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ইন্টারনেট বিল-ভাউচার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের শিক্ষকদের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক প্রধান শিক্ষককে গলা চেপে হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগ এনে মুক্তাগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষকরা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এটি একতরফা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
লিখিত অভিযোগে মুক্তাগাছা কেন্দ্রীয় পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফজলুল হক বলেন, গত ২৩ জুন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ১২ মাসের ভুয়া ইন্টারনেট বিল-ভাউচার জমা দেওয়ার প্রতিবাদ করলে কলাদিয়া হাবিবুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গলা চেপে ধরেন এবং তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে উপস্থিত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা তাদের উদ্ধার করেন।
অভিযোগে বিনোদবাড়ী মানকোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুল আলম মানিক, ঝনকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জলিল, সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম সোহেল এবং এডিএন টেলিকম লিমিটেডের প্রতিনিধি আবু সাঈদকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুল আলম মানিক বলেন, ভুয়া বিলের কোনো বিষয় নয়। অফিসে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। কাউকে হত্যাচেষ্টার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এডিএন টেলিকম লিমিটেডের প্রতিনিধি আবু সাঈদ বলেন, ইন্টারনেট সংযোগ ও বিল সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল। আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলোর ঠিক নয়।
এবিষয়ে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশকঃ খাইরুল ইসলাম আল আমিন, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৯৫ পাটবাজার (পুকুরপাড়), ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভা, ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ , ওয়েবসাইট-www.durnitibarta.com, মোবাইলঃ 01710-492468, ইমেইল- durnitibartadesk@gmail.com