
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পৃথক দুটি নদী থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের রাংশা নদী থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শফিক মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের চক ঢাকিরকান্দা গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শফিক মিয়া বাদাম বিক্রি করতে যাওয়ার পথে নদীর ধারে বসেছিলেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে নদীতে ভাসমান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি নদীতে পড়ে যান। তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
অপরদিকে কংস নদে ওজু করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৩৩ ঘণ্টা পর আছির উদ্দিন (৮৫) নামের এক বৃদ্ধের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বালিয়া ইউনিয়নের বড়ইকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।
গত বুধবার রাত ৯টার দিকে ওজু করতে গিয়ে কংস নদের তীব্র স্রোতে ভেসে যান তিনি। নিখোঁজের পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা জেলেদের সহায়তায় উদ্ধার কাজ শুরু করেন। বৃহস্পতিবার সারাদিন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে কোনো সন্ধান না পেয়ে সন্ধ্যায় তা স্থগিত ঘোষণা করে। পরে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে গোয়াতলার ইজারাপাড়া এলাকায় আছির উদ্দিনের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। স্বজনেরা সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নৌকাযোগে নিজ গ্রাম বড়ইকান্দিতে নিয়ে আসেন।
পরপর দুটি মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন জানান, প্রথম ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে হলেও তদন্ত চলছে। পৃথক দুই ঘটনায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে স্ব-স্ব ব্যক্তির মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রকাশকঃ খাইরুল ইসলাম আল আমিন, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৯৫ পাটবাজার (পুকুরপাড়), ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভা, ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ , ওয়েবসাইট-www.durnitibarta.com, মোবাইলঃ 01710-492468, ইমেইল- durnitibartadesk@gmail.com