Durnitibarta.com
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২২ অক্টোবর ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নান্দিনা মাছ বাজার নতুন ভবনে স্থানান্তরিত

প্রতিবেদক
Dhaka Office
অক্টোবর ২২, ২০২৬ ২:৩২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বিশেষ প্রতিনিধি, জামালপুর: জামালপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও অন্যতম ব্যস্ত ব্যবসায়িক কেন্দ্র নান্দিনা মাছ বাজার নবনির্মিত নতুন মার্কেট ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বুধবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) রাতে উৎসবমুখর পরিবেশে ব্যবসায়ীদের মাঝে সমহারে দোকান বরাদ্দ ও স্থান নির্ধারণ করে দেওয়ার মাধ্যমে নতুন ভবনে মাছ বাজারের আনুষ্ঠানিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু করা হয়।

দোকান বণ্টন ও বাজার স্থানান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসন্ন ২ নং শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও শরীফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান হামিদী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জামালপুর জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিম, সহ-সভাপতি ওমর সাহেব আলী, সদর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম সম্পাদক আলামিন, ৯ নং রানাগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নওয়াব হোসেন জুয়েল, রানাগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রতন, রানাগাছা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কেরামত আলী উজ্জ্বল, শরীফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডাক্তার জুনায়েদ হোসেন,  নান্দিনা মাছ ব্যবসায়ী সমিতির মধু বেপারী, নান্দিনা বাজার মাছ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইন্তাজ আলী এবং ৭১ টিভির রিপোর্টার সুমন আনসারী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক সুবিধাসংবলিত এই নতুন ভবনে ব্যবসায়ীদের মাঝে নিরপেক্ষভাবে সমহারে জায়গা বণ্টন করায় সবাই স্বচ্ছন্দে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। এতে করে নান্দিনা বাজারের সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বাজারের সমৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের সুস্বাস্থ্য ও উন্নতি কামনায় বিশেষ দোয়াও অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ৪ (চার) তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট ২ (দুই) তলা এই দৃষ্টিনন্দন মার্কেট ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর আগে গত ১ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে জামালপুর-৫ (সদর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট শাহ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন ভবনটির শুভ উদ্বোধন করেন।

নতুন ভবনটিতে স্থানান্তরের ফলে মাছ ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের দীর্ঘদিনের স্থানসংকট এবং দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটবে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছে।