ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকে রূপসা ঘাট ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার রাত ৯টা হতেই যাত্রী পারাপার বন্ধ করে দিয়েছে ঘাটমাঝি সংঘ। রাজনৈতিক চাপে যাত্রী পারাপার বন্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে ঘাট পারাপারের সাধারণ মানুষ।
রূপসা ঘাট দিয়ে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ হাজার মানুষ পারাপার হয়ে থাকে। হঠাৎ ঘাট পারাপার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পারাপারের এসব মানুষ বেজায় দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে রোগী নিয়ে পারাপারে সাধারণ মানুষ সব থেকে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
এর আগে মাঝি সংঘের সভাপতি মো. রেজা ব্যাপারী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সকল পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে। এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ নানা প্রতিকূলতার কারণে রূপসা ঘাটের ট্রলার (ইঞ্জিনচালিত নৌকা) ভাড়া বাড়েনি। তাই আমার যাত্রী প্রতি এক টাকা ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে ২২ অক্টোবর ২৪ ঘণ্টার জন্য ঘাট পারাপার বন্ধের ঘোষণা দিয়েছি।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর শুক্রবার রাত ১০টার দিকে খুলনায় নির্ধারিত সমাবেশস্থল ফেরিঘাট ও ডাকবাংলোর মধ্যবর্তী সোনালী ব্যাংক চত্বর পরিদর্শন করেছেন। যদিও তখনো মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়নি।
বিএনপির একটি সূত্র জানায়, মঞ্চ তৈরি করা গেলে একাধিক লরি (ট্রাক) একত্রিত করে বিকল্প মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।

