Durnitibarta.com
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২১ মে ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজার দাফন সম্পূর্ণ

Link Copied!

ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক এ.কে.এম সুজাউদ্দিন সুজা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৮ টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। সে ফুলপুর উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের (রেমিট্যান্স যুদ্ধ) বজলুর রহমানের ছেলে।

তরুণ ওই ছাত্রদল নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ, ময়মনসিংহ সদর ৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জনাব রোকনুজ্জামান সরকার, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক এনায়েত উল্লাহ কালাম, যুগ্ম আহবায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল হাসান রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরুজ্জামান সোহেল, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির কৃষক দলের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল বাশার আকন্দ, ফুলপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান, সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন হেলু, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোঃ আমিনুল হক, ময়মনসিংহ উত্তরা জেলা যুবদলের নেতা ওহেদুজ্জামান মিঠুন, একেএম আরিফুল হক সহ ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলসহ বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীগণ, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক সংগঠন, শিক্ষক সমাজ, ব্যবসায়িকবৃন্দ ও সাধারণ মানুষজন গভীর শোক জানিয়েছেন।

এছাড়া তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তাদের শোকবার্তায় ফুটে উঠেছে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিচারণ। বৃহস্পতিবার দিনভর ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের অনেককে সুজার অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করতে দেখা যায়।রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনে সুজাকে একজন হাস্যোজ্জ্বল, বন্ধুবৎসল ও মানবিক মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন তারা।

অনেকেই লিখেছেন, রাজনীতির মাঠে প্রতিপক্ষ থাকলেও ব্যক্তি সুজা ছিলেন সবার আপনজন। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা। শোকবার্তায় কয়েকজন নেতাকর্মী সুজার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মহান আল্লাহর কাছে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।কেউ কেউ অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে একসঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতিও তুলে ধরেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহল বলছেন, রাজনৈতিক বিভাজনের এই সময়ে সুজার মৃত্যুতে ভিন্ন মতের নেতাকর্মীদের এমন মানবিক শোক প্রকাশ সমাজে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। মানবিক সম্পর্ক যে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে, সেটিই আবারও প্রমাণিত হয়েছে এ ঘটনায়।

বৃহস্পতিবার বিকালে আসরের নামাজের পর ফুলপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজ মাঠে এ.কে.এম সুজা উদ্দিন সুজা’র জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয় মুসল্লিদের উপস্থিতিতে কলেজ মাঠ। পরে উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।