ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্যাস সিলিন্ডারে লিকেজ থেকে অগ্নিদগ্ধ আবদুল মালেক পাঠান (৬০) মারা গেছেন। মৃতের ছেলে দগ্ধ কাজল মিয়ার (৩০) অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
নিহত মালেক পাঠান উপজেলার মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের ভান্ডাব নামা পাড়া বাসিন্দা। তারা পৌর শহরের সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের পাশে জব্বার টাওয়ারে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
রবিবার (৯ আগস্ট) ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি মারা গেছেন।
এর আগে শনিবার (৮ অক্টোবর) সকালে পৌর শহরের সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের পাশে জব্বার টাওয়ারের আন্ডার গ্রাউন্ডে গ্যাসের সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ হয় বাবা ছেলে।
ভালুকার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, গত শনিবার সকালে আবদুল মালেক পাঠান গ্যাসের চুলা জ্বালাতে যায়। কিন্তু, ওই সিলিন্ডারের লাইন লিকেজ হয়ে থেকে রান্না ঘরে গ্যাস আটকে ছিল। এসময় গ্যাসের চুলা জ্বালাতেই সমস্ত রোমে আগুন ধরে যায়। এতে আবদুল মালেক পাঠানের শরীরে আগুন ধরে যায়। বাবার শরীরে আগুন লেগেছে দেখে ছেলে কাজল তাকে বাঁচাতে গেলে দু’জন অগ্নিদগ্ধ হয়।
পরে তাঁদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন তাদের ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মালেক পাঠান।

