Durnitibarta.com
ঢাকাসোমবার , ২৪ অক্টোবর ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালের নার্সদের দায়িত্বহীনতায় বিপাকে রুগীরা

প্রতিবেদক
Khairul Islam Alamin
অক্টোবর ২৪, ২০২২ ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

খাইরুল ইসলাম আল আমিন: 

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম সেতো নিত্য দিনের ঘটনা। অনিয়মটাই নিয়ম হয়ে চলছে এই হাসপাতালে। সমস্যায় জর্জরিত এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে চরম দুর্ভোগের শিকার হন রোগীরা। রোগীর বিছানা পরিষ্কার না করায় বেড মাটির রং ধারণ করেছে। আবার বিছানার চাদর চাইলেই আনতে বলা হয় বাড়ি থেকে। হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সটিও অসুস্থ। প্রায়ই নিতে হয় মেকানিকের কাছে। হাসপাতালে নেই বিদ্যুৎতের বিকল্প ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ চলে গেলেই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায় হাসপাতালটি। এখানের নার্সরা সেবা নয় যেন কেম্পাসের আড্ডা দেয়ার জন্য আসে হাসপাতালে। দ্বায়ীত্ববোধের ছিটে ফুটাও নেই তাদের কাছে। অভিযোগ করলে বাড়ে আরো ভুগান্তি।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হন ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের চরনিখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জয় কুমার সরকার। সেবার পরিবর্তে হেনস্থার শিকার হয়ে দুর্নীতি বার্তাকে তিনি জানান, আমি গত শুক্রবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক দশটার দিকে অসুস্থ অবস্থায় ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেেক্স ভর্তি হই।  কেন আসলাম, কি করছি জানতেও আসলো না কেউ। পরিচিত এক ডাক্তার (অফ ডিউটি) মানবিক কারণে আমাকে স্যালাইন পুশ করে দিয়ে যায়। রাত তিনটার দিকে নাড়াচাড়ার ফলে স্যালাইনে প্রচুর রক্ত উঠে যায়। বার বার খবর পাঠানোর পরেও আসেনি নার্স। অপারগ হয়ে আমি ৯৯৯ এ কল দেই। কল দিয়ে পড়লাম আরো বিপাকে, কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন কেন ৯৯৯ এ কল দিলাম এখন তাদের কিছু করার নেই।

 

ভুগান্তির শিকার সদর ইউনিয়নের (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এক রুগীর অবিভাবক বলেন, ৩/৪ দিন হাসপাতালে রুগি নিয়ে আছি বিদ্যুৎ না থাকলে পুরা হাসপাতাল অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। অন্ধকারে থাকতে হয় রুগি নিয়ে, সেলাইন শেষ হয়ে ২/৩ ঘন্টা চলে গেলেও নার্সদের কোন বলে কয়েও আনানো যায়না নতুন সেলাইন পুশ কারার জন্য। হাসপাতালে সেবা তো পাচ্ছিই না বরং ভুগান্তির শিকার হচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে  ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নূরুল হুদা খানকে মোবাইল ফোনে একাধীকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটে দেন।