বিশেষ প্রতিনিধি :
ময়মনসিংহের ভালুকায় অতিবৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেছে আসলাম খান নামে এক মৎস্য খামারীর মৎস্য চাষ। এদিকে খামারের বিপরীতে ব্যাংক ও খাদ্য কোম্পানীর কোটি টাকা ঋণ পরিশোধে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই খামারী। একদিকে কোটি টাকা ঋণের বোঝা মাথায়, অন্যদিকে পতিত বিলে আটকে থাকা মাছ ফেরত পেতে মানুষের দ্বারা দ্বারে ঘুরছেন তিনি। এ ঘটনায় গত ১৫ অক্টোবর ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন খামারী আসলাম খান।
লিখিত আবেদনের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বান্দিয়া গ্রামের সিরাজ উদ্দিন খানের ছেলে আসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির পাশে ভর বিলে ২২ একর জমিতে মাছের চাষ করে আসছিলেন। মল্লিকা মৎস্য খামার’ নামে আসলাম খান ব্যাংক ঋণ ও বিশ্বাস ফিস ফিড লিমিটেড থেকে কোটি টাকার বাকি খাদ্য কিনেন। গত ৬ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) দিবারাত্রি উপজেলার সর্বত্র ব্যাপক বৃষ্টি হয়। একারণে নদী-নালা, খাল-বিলে প্রচুর পানি বৃদ্ধি পায়। উজান থেকে ২ থেকে ৩টি বিলের পানি তার খামারের বাধ কেটে পানি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। যার ফলে পানি উপচে বিলের দক্ষিনাংশে বাধ ভেঙে অনাবাদী আরেকটি বিলে তার খামারের মাছ চলে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত খামারী আসলাম খান জানান, পতিত বিলে চলে যাওয়া মাছ স্থানীয় লোকজন নিয়ে জাল, ভানা ও বাঁশের খুঁটি দিয়ে আটকানোর ব্যবস্থা করেছে। ওই সময় এলাকার কতিপয় লোক তার সঙ্গে ওই কাজে স্বেচ্ছায় সহযোগিতা করেছিলেন। পরে লোভে পড়ে তারা ওই মাছ তাদের বলে দাবি করেন। ইতোমধ্যে ওই ব্যক্তিরা ভেড় জাল দিয়ে তার মাছ ধরার অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এ ঘটনায় তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এরশাদুল আহাম্মেদ জানান, ঘটনাটি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

