Durnitibarta.com
ঢাকাবুধবার , ২২ জুলাই ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আর্জেন্টিনা দল থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ভাবছেন মার্তিনেজ

প্রতিবেদক
Dhaka Office
জুলাই ২২, ২০২৬ ২:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমি মার্তিনেজ। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে না হারলে হয়তো আবারও নায়কের খেতাব তিনিই পেতেন। আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয় শিরোপা এনে দেওয়ার লক্ষ্যে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে একের পর এক দুর্দান্ত সেভও করেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। অধোরা থেকে গেলো বাজপাখির সে স্বপ্ন।

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমি বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে ‘সরে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে কিনা’ তা বিবেচনা করছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার রাতে বুয়েনস এইরেসে ফিরে ঠান্ডা আর বৃষ্টি উপেক্ষা করে জড়ো হওয়া হাজারো সমর্থকের অভ্যর্থনা পাওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা লিখেছেন মার্তিনেস।

বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক লিখেছেন, ‘স্বপ্ন দেখেছিলাম, আমরা আবারও বিশ্বকাপ জিতব। ট্রফিটা আবার আর্জেন্টিনায় নিয়ে যাব, আরেকবার ইতিহাস গড়ব।’

তবে এরপর যা লিখেছেন, সেটি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের খানিকটা ভাবিয়ে তুলতে পারে।

তিনি লিখেছেন ‘সত্যি বলতে, এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এখন অনেক কিছু নিয়ে ভাবার সময়। সামনে কীভাবে এগিয়ে যাওয়া যায়, সেটাই ভাবতে হবে। আর হয়তো এটাও ভাবার সময় এসেছে, আমার সরে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে কি না। আমি খুবই দুঃখিত, আমি আমার দেশ ও সতীর্থদের সাহায্য করার জন্য সত্যিই আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।

৩৩ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় তার দেশের হয়ে ৬৭টি ম্যাচ খেলেছেন এবং আর্জেন্টিনার আটটি বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রতিটি মিনিট খেলেছেন। তিনি ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ছিলেন এবং টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক হিসেবে গোল্ডেন গ্লাভ পুরস্কারও অর্জন করেন।

এছাড়া মার্টিনেজ ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে ব্যালন ডি’অর পুরস্কারে বিশ্বের সেরা গোলরক্ষককে দেওয়া ইয়াশিন ট্রফি জিতে নেন।

তিনি ২০২০ সাল থেকে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলছেন এবং তার চুক্তি ২০২৯ সাল পর্যন্ত রয়েছে, কিন্তু এই গ্রীষ্মে ইতালীয় ক্লাব জুভেন্টাসে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

২০২১ সালের ৩ জুন দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চিলির বিপক্ষে ১-১ ড্র ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকেই তিনি নিজেকে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

লিওনেল মেসিসহ সতীর্থদের কাছে তিনি শুধু দুর্দান্ত একজন গোলরক্ষকই নন, অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারা একজন ফুটবলার এবং দলে ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান কারিগর।