ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দেশটি এখনো অস্ত্র উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে। ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো সংঘাত শুরু হলে আগের তুলনায় আরও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহার করা হবে।
আইআরজিসির মুখপাত্র সারদার মোহেব্বি বলেন, আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহৃত ওয়ারহেডগুলোর ধ্বংসক্ষমতা আগের যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রের তুলনায় অনেক বেশি।
তিনি বলেন, যদি আবার যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে আমাদের অস্ত্রগুলো সব দিক থেকেই অতীতের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে।
মোহেব্বি জানান, নতুন অস্ত্রের মধ্যে পরবর্তী প্রজন্মের ওয়ারহেডও রয়েছে। এসব ওয়ারহেডে আরও বেশি নির্ভুলতা এবং ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর সক্ষমতা থাকবে।
আইআরজিসির এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এটিকে ইরানের বিরুদ্ধে ‘এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা অচলাবস্থায় পড়ার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, ইরান চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন দেশটিকে ‘নজিরবিহীন অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতার’ মুখোমুখি হতে হবে।
একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশকেও কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: আল-জাজিরা
এএনএ

