তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ সংশোধন করে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ‘তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ শিরোনামে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়–এর লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়েছে, বর্তমানে জাতীয় সংসদ ভেঙে থাকায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষাপটে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করেছেন।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯–এর ধারা ২–এর দফা (চ) সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধনের মাধ্যমে ‘তথ্য’ শব্দের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত ও স্পষ্ট করা হয়েছে।
সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, কোনো কর্তৃপক্ষের গঠন, কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত স্মারক, বই, নকশা, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য-উপাত্ত, লগবই, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, নমুনা, পত্র, প্রতিবেদন, হিসাব-বিবরণী ও প্রকল্প প্রস্তাব—সবই ‘তথ্য’ হিসেবে গণ্য হবে।
এ ছাড়া আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও, অঙ্কিত চিত্র, ফিল্ম, ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত যেকোনো ইনস্ট্রুমেন্ট, যান্ত্রিকভাবে পাঠযোগ্য দলিল এবং ভৌত গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে অন্য যেকোনো তথ্যবহ বস্তু বা তার প্রতিলিপিও এই আইনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সংশোধিত অধ্যাদেশটি জারির সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে। সংশোধনের মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকারকে আরও সুসংহত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

