আসাদুল্লাহ হাদিস: ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার চরনিখলা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ১৮ বছর বয়সী মো. শ্রাবণ মিয়া এখন জীবনযুদ্ধে লড়ছেন। তাঁর ডান পায়ের হাড়ে ক্যান্সার ধরা পড়েছে। ছয় মাস ধরে তিনি চিকিৎসাধীন। ইতিমধ্যে চিকিৎসায় ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আরও ১২ থেকে ১৪ লাখ টাকার প্রয়োজন।
শ্রাবণ ঐতিহ্যবাহী চরনিখলা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি–২০২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী। পরিবার ও শিক্ষকদের ভাষ্য, তিনি ছিলেন মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের। সহপাঠীরা যখন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন শ্রাবণের দিন কাটছে হাসপাতালের কেবিনে।
শ্রাবণের বাবা মো. বাচ্চু মিয়া পেশায় কাঠমিস্ত্রি। দিনমজুরির আয়ে কোনো রকমে সংসার চলত। তিনি বলেন, ছেলের চিকিৎসার জন্য যা ছিল, সব খরচ করেছি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মহাখালীতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে প্রথম কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। প্রতি ১৮ দিন পরপর কেমোথেরাপি দিতে হয়। ওষুধ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হচ্ছে। আমার পক্ষে আর চালানো সম্ভব হচ্ছে না।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে শ্রাবণ দ্বিতীয়। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির আয়ে এত ব্যয় বহন করা পরিবারটির পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকেরা আশাবাদী, নিয়মিত ও উন্নত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারলে শ্রাবণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।
স্থানীয়রা জানান, আর্থিক সংকটের কারণে চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিবারটি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহায়তা কামনা করেছে।
একজন শ্রমজীবী বাবার আকুতি, অর্থের অভাবে যেন ছেলের চিকিৎসা থেমে না যায়। সহায়তার হাত বাড়ালে হয়তো আবারও বই হাতে স্কুলে ফিরতে পারবে। সহযোগিতা পাঠাতে 01871656066 বিকাশ, নগদ, রকেট।

